ইউনিক ব্র্যান্ড (Brand Guideline )গাইডলাইন তৈরির সেরা টিপস
ব্র্যান্ড গাইডলাইন কি?
Brand Guideline (ব্র্যান্ড গাইডলাইন) হলো একটি ডকুমেন্ট বা নিয়মাবলি, যা কোনো কোম্পানির ব্র্যান্ড কিভাবে উপস্থাপন করা হবে—তা নির্ধারণ করে। এটি ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল এবং ভাষাগত পরিচয় বজায় রাখতে সাহায্য করে যেন সব জায়গায় একই রকম ইমেজ ও বার্তা পৌঁছায়
1. ব্র্যান্ডের পরিচয় স্পষ্ট করো
- কোম্পানির নাম, উদ্দেশ্য, এবং মূল মূল্যবোধ লিখে রাখো।
- যেমন: “আমরা নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং আধুনিক গুলোল সরবরাহ করি।”
2. লোগো ব্যবহারবিধি নির্ধারণ করো
- লোগো কোথায়, কীভাবে ব্যবহার করা যাবে—সেটা নির্দিষ্ট করো।
- কালার ভ্যারিয়েশন, ব্যাকগ্রাউন্ড, সাইজ, এবং নিষিদ্ধ ব্যবহার (যেমন: টানানো, ঘোরানো) উল্লেখ করো।
3. কালার প্যালেট নির্ধারণ করো 🎨
- ব্র্যান্ডের জন্য নির্দিষ্ট ২–৩টি কালার বেছে নাও।
- উদাহরণ: কালো (শক্তি), লাল (সতর্কতা), ধূসর (নির্ভরযোগ্যতা)
4. টাইপোগ্রাফি বা ফন্ট স্টাইল
- কোন ফন্ট ব্যবহার করবে—হেডলাইন, বডি টেক্সট, সাবটাইটেল—সব আলাদা করে লিখে রাখো।
- ইউনিক ফন্ট ব্যবহার করো, যেন সহজে কপি না করা যায়।
5. ভয়েস ও টোন নির্ধারণ করো 🔊
- ব্র্যান্ডের ভাষা হবে কেমন? বন্ধুত্বপূর্ণ, পেশাদার, সাহসী?
- উদাহরণ: “আমাদের ভাষা হবে আত্মবিশ্বাসী, কিন্তু সম্মানজনক।”
6. ইমেজ ও গ্রাফিক স্টাইল
- গুলোলের ছবি, ব্যাকগ্রাউন্ড, টেক্সচার—সব কেমন হবে?
- রিয়েলিস্টিক, মিনিমাল, বা টেকনিক্যাল—স্টাইল নির্ধারণ করো।
7. বিজ্ঞাপন ও সোশ্যাল মিডিয়া টেমপ্লেট
- কীভাবে বিজ্ঞাপন বানাবে, কী ধরনের পোস্ট করবে—সেটার গাইডলাইন দাও।
- উদাহরণ: “প্রতিটি বিজ্ঞাপনে লোগো থাকবে উপরে, CTA থাকবে নিচে।”
8. ব্র্যান্ডের “না” তালিকা 🚫
- কী করা যাবে না—যেমন: অন্য কোম্পানির লোগো ব্যবহার, ভুল বানান, অপ্রাসঙ্গিক ছবি।
কেন ব্র্যান্ড গাইডলাইন দরকার?
- ব্র্যান্ডের পরিচয় বজায় রাখতে
- কপি বা ভুল উপস্থাপন রোধ করতে
- ডিজাইনার, মার্কেটার, ডেভেলপার—সবাই যেন একই নিয়ম অনুসরণ ক



Post Comment